প্রিয় কুমিল্লা ডেক্স :
“মাদককে না বলো, জীবনকে হ্যাঁ বলো”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শিল্পকাহনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় মাদকবিরোধী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ইনসাফ হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স প্রাইভেট লিমিটেড—এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন।
শিল্প কাহনের সভাপতি ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠা অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন এর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির কুমিল্লা—৬ নির্বাচনী এলাকার এমপি প্রার্থী মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, জামায়াত মনোনীত সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সবুজ,।
শিল্পকাহনের সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা নাসির আহমেদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর টিপু চৌধুরী, অভিনেতা শফিক খান দিলু, এবি পার্টির নেতা গোলাম সামদানি।
মহানগর ব্লাড ডোনার্স সোসাইটির সভাপতি ফয়েজ আহমেদ মুন্সি, ব্যবসায়ী আজাদ কামাল, তালহা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ইউনুস মিয়া, মাওলানা মুফতি ইসরাফিল, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম, কোতোয়ালি থানা যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।
অধ্যাপক এমদাদুল হক মামুন বলেন, পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মদ, জুয়া, লটারি ও সব ধরনের অনৈতিক কাজ নিষিদ্ধ করেছেন। মানুষকে আল্লাহ উচ্চ মর্যাদায় সৃষ্টি করেছেন তাই তার পক্ষে খারাপ কাজে লিপ্ত হওয়া শোভা পায় না। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে মাদক রোধে এগিয়ে আসতে হবে।
মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক বলেন, সমাজ গঠনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা এখন মাদক। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে মাদককে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলতে হবে।”
শিল্প কাহনের সভাপতি অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন বলেন, এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি তরুণদের সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিল্পকাহনের এই উদ্যোগ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে । অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান
শিল্পকাহনের শিল্পীরা গান, আবৃত্তি ও নাট্যাংশ পরিবেশন করলে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। পরিবার—পরিজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীরা সাংস্কৃতিক আয়োজনে যেমন আনন্দ পেয়েছেন, তেমনি মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তাও গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে তরুণদের মাঝে
