Spread the love

মো: সাইফুল ইসলাম ভুইয়া


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার দুলালপুর দক্ষিণপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া চারটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মো. মিজানুর রহমান আতিকী। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেন, খোঁজখবর নেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, এক বিকেলেই সব কিছু হারিয়ে ফেলেছেন এই পরিবারগুলো। আমরা সবাই মিলে তাদের পাশে দাঁড়ালে এই দুঃসময় তারা কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবে।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দুলালপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কাজী মো. আবদুল হান্নান সরকার, ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা মো. ইমাম হোসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, গত বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দুলালপুর দক্ষিণপাড়া ফকির বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে। এতে মৃত রশীদ মিয়ার ছেলে মিশন মিয়া, মামুনুর রশীদ, মৃত সুলতান মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও ইসমাইল হোসেনের সাতটি ঘর পুড়ে যায়।
আগুনে নগদ অর্থ, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারের জরুরি সহায়তা এবং স্থানীয় সমাজের সহানুভূতি কামনা করেছেন।

ব্রাহ্মণপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব ৪ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মাওলানা মিজানুর রহমান আতিকী

মো. আনোয়ারুল ইসলাম।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার দুলালপুর দক্ষিণপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া চারটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মো. মিজানুর রহমান আতিকী। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেন, খোঁজখবর নেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, এক বিকেলেই সব কিছু হারিয়ে ফেলেছেন এই পরিবারগুলো। আমরা সবাই মিলে তাদের পাশে দাঁড়ালে এই দুঃসময় তারা কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবে।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দুলালপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কাজী মো. আবদুল হান্নান সরকার, ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা মো. ইমাম হোসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, গত বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দুলালপুর দক্ষিণপাড়া ফকির বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে। এতে মৃত রশীদ মিয়ার ছেলে মিশন মিয়া, মামুনুর রশীদ, মৃত সুলতান মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও ইসমাইল হোসেনের সাতটি ঘর পুড়ে যায়।
আগুনে নগদ অর্থ, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারের জরুরি সহায়তা এবং স্থানীয় সমাজের সহানুভূতি কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *